২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থান নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘একটা স্বৈরাচারকে, ফ্যাসিস্ট সরকারকে পতনের জন্য যে আন্দোলন হয়েছে, সেটা একটা জনদাবির মুখে স্বৈরাচার পতন আন্দোলন। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে, রাষ্ট্র নতুনভাবে বিনির্মাণ হয়নি। রাষ্ট্র আমাদের ছিল, অর্জিত হয়েছে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে। সেই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করতে হবে, যাতে কোনো স্বৈরাচার বাংলাদেশে আবার প্রতিষ্ঠিত না হয়, আগমন না হয়, উৎপাদন ও উৎপত্তি না হয়। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির প্রবর্তন ও চর্চার মধ্য দিয়ে, লালনের মধ্য দিয়ে আমরা সংসদের সেসব কার্যক্রম আলোচনার মধ্য দিয়ে, সমঝোতার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার একমাত্র ধারক-বাহক বলে দাবি করত উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের মধ্য দিয়ে গণহত্যার যে সূচনা হয়, তার পরবর্তী সময়ে একই রাতে ২৫ মার্চের দিবাগত রাতে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে যখন তৎকালীন মেজর জিয়া চট্টগ্রামে সেই সংবাদ অবহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন, বললেন “উই রিভল্ট” এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল জানজুয়াকে গ্রেপ্তার করলেন। হত্যা করা হলো অন্যান্য পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সেনা অফিসারদের। এই রিভল্টের ইতিহাস অনুযায়ী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, তাকে অস্বীকার করার ইতিহাস হলো এই আওয়ামী লীগের ইতিহাস।’

