তবে সমালোচকেরা এসব পদক্ষেপকে ‘লোক দেখানো’ বলেই মনে করছেন। যদিও মিন অং হ্লাইং দাবি করেছেন, তাঁর সরকার ‘সামাজিক পুনর্মিলন, ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন বিবেচনায় সাধারণ ক্ষমা দেবে’।
মিন অং হ্লাইং তাঁর ভাষণে সু চির নাম একবারও উল্লেখ করেননি। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি আটক রয়েছেন এবং ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ কারাদণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছে।
মিয়ানমারের কারাবন্দীদের সহযোগিতা প্রদানকারী অলাভজনক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের তথ্য বলছে, অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারের কারাগারগুলোতে ২২ হাজারের বেশি মানুষ বন্দী হয়েছেন।
