নন-ফিকশন বইমেলা শুরু হয়েছিল গত শনিবার। মেলায় এবার ৩৯টি প্রকাশনা ও গবেষণা সংস্থা অংশ নেয়। বই বিক্রি হয় শতকরা ২৫ ভাগ কমিশনে। শিক্ষার্থী ও পাঠকদের মধ্যে ব্যবসা, অর্থনীতিসহ বিশ্লেষণধর্মী বইয়ের পরিচিতি তুলে ধরা এবং এ ধরনের বই পাঠে আগ্রহী করার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৫ সাল থেকে নন-ফিকশন বইমেলা আয়োজন করা হচ্ছে।
বিকেলে নবম নন-ফিকশন বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার। তিনি বলেন, ‘নন-ফিকশন বই শুধু তথ্যই দেয় না; চিন্তা তৈরি করে, প্রশ্ন তোলে, যুক্তি শেখায় এবং সমাজকে বুঝতে সাহায্য করে। আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যখন তথ্যের অভাব নেই, কিন্তু জ্ঞানের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে নন-ফিকশন বইয়ের ভূমিকা অপরিসীম।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) মামুন আহমেদ বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে দেখতে চাই। সে জন্য এ ধরনের চিন্তা ও মননশীল বইমেলার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই মেলা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আরও নিবিড় যোগাযোগ ও ভাবনার বিনিময়ে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।’ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই মেলা করার জন্য সহায়তা দেওয়ার কথা বলেন তিনি।


