নাগি বলেন, এসব দেয়ালচিত্র বাসিন্দাদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের আচরণ ও মনোভাবের পরিবর্তন ঘটাতে সহায়তা করতে পারে।
পুরস্কারের অর্থ দিয়ে নাগি তাঁর ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ভারতের আরও জায়গায় সম্প্রসারণ করতে চান, শুরু করবেন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর থেকে, যেখানে তিনি বড় হয়েছেন এবং এখন একটি কম্পিউটারসমৃদ্ধ দক্ষতা ও শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তুলতে চান।
কোলাবায় গিয়ে দেখা যায়, বস্তিঘরের দেয়ালে বিশাল দেয়ালচিত্র ও অনুপ্রেরণামূলক উক্তি আঁকা। শিক্ষাকেন্দ্রের দেয়ালগুলোও উজ্জ্বল রঙে রাঙানো, যেখানে উদ্ভিদ থেকে প্রাণিজগৎ পর্যন্ত নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
কেন্দ্রটির সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী খুশি জানায়, সে ‘স্কুলে’ আসতে ভালোবাসে এবং বড় হয়ে শিক্ষক হতে চায়। তার মা একজন গৃহকর্মী এবং বর্তমানে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী।
অন্যান্য অনেক শিশুও একই ধরনের আর্থিক পটভূমি থেকে এলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের বড় স্বপ্ন রয়েছে। আর নাগির স্কুলগুলো সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার আশা করছে।
