ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন দেখে মাইকে ঘোষণা, ‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে নদীপাড়ে চলে আসেন’

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন দেখে মাইকে ঘোষণা, ‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে নদীপাড়ে চলে আসেন’

আজ দুপুরে সড়কটারী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পাউবোর তত্ত্বাবধানে শ্রমিকেরা জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ করছেন। একই সঙ্গে একটি কারিগরি দল নদীর গভীরতা ও তলদেশের অবস্থা পরিমাপ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ফেলানী বেওয়া (৭৫) বলেন, ‘বিকেল থেকে হঠাৎ নদীর পানি ফুলে ওঠে। ব্লকগুলো ধপাধপ করে নদীতে পড়ে যায়। বুড়া মানুষ, নদীভাঙন শুরু হলেই বুকটা কেঁপে ওঠে। এই বয়সে ভিটেমাটি হারালে কোথায় যাব। সরকারের কাছে একটাই অনুরোধ, আমাদের নদীভাঙন থেকে বাঁচান।’

ভাঙন প্রতিরোধকাজে নিয়োজিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সর্দার মজিবুর রহমান বলেন, ১ জুলাই প্রথম ধসের পর চার দফায় ২৪ হাজার জিও ব্যাগ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কালিরকূড়া থেকে কাঁচকোল টি-বাঁধ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় অন্তত ১০টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতের কারণে ফেলা জিও ব্যাগ কোথায় যাচ্ছে, সেটিও বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, একসঙ্গে অন্তত এক লাখ জিও ব্যাগ এবং তিনটি টি-বাঁধ নির্মাণ করা হলে নদীর স্রোত তীর থেকে সরে যাবে, ফলে ভাঙনও কমে আসবে।

Explore More Districts