অনিল কাপুর দেখিয়ে দেন, কীভাবে সংযত অভিনয় দিয়েও একটি চরিত্রকে প্রভাবশালী করে তোলা যায়। নায়কের ভেতরের দ্বন্দ্ব—একদিকে কর্তব্যবোধ, অন্যদিকে ক্ষোভ—এই দুইয়ের সংঘর্ষ ছবিকে আরও গভীরতা দেয়। তিনি কেবল একজন যোদ্ধা নন; তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে বাধ্য হন। এই মানবিক দিকটিই ছবির গল্পকে সাধারণ অ্যাকশনধর্মী থ্রিলার থেকে কিছুটা আলাদা করে তোলে।
অর্জুনের মেয়ে শ্যামা চরিত্রে রাধিকা মদনও বেশ ভালো। পরিচালক শ্যামার চরিত্রটিকে স্বতন্ত্রতা দিয়েছেন। যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা বাবার সাহায্য ছাড়াই নিজের লড়াই চালিয়ে যায়। অ্যাসিড আক্রমণের হুমকি, ধর্ষণের চেষ্টা সব নিজেই সামলে নেয়। পার্শ্ব চরিত্রগুলোতে আদিত্য রাওয়াল, সৌরভ শুক্লা, মোনা সিং, ফয়সাল মালিকও দারুণ। আলাদা করে বলতে হয় মোনা সিংয়ের কথা। ‘কোহরা ২’-এর পর একেবারে ব্যতিক্রমধর্মী চরিত্রে আবারও চমকে দিয়েছেন তিনি।
