অন্যদিকে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, এক বছরের মধ্যে দুটি বড় যুদ্ধ ও দুই মাসের বেশি সময় ধরে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেটবিহীন অবস্থা—সব মিলিয়ে ইরানের অর্থনীতির সব খাতই ক্ষতিগ্রস্ত।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কয়েক মাসের বেশি মেয়াদে চুক্তি করছে না, বড় গাড়ি কোম্পানিগুলো হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে, রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি গণমাধ্যমের অনেক সাংবাদিক চাকরি হারিয়েছেন।
তেহরানের এক অনলাইন কনটেন্ট নির্মাতা বলেন, তিনি ও তাঁর মতো অনেকে আরও অনেক আগেই সামান্য সঞ্চয়টুকু শেষ করে ফেলেছেন। এখন তিনি নিজের কিছু পেশাগত সরঞ্জাম ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বিক্রির চেষ্টা করছেন, কিন্তু বাজারদরের চেয়ে কম দামে বিক্রি করতে চাইলেও ক্রেতা মিলছে না।
কনটেন্ট নির্মাতার ভাষ্য, ‘যুদ্ধ থাকুক বা না থাকুক, মনে হচ্ছে, আমরা অনেক দিন ধরেই মৃত। শুধু আমাদের কণ্ঠই স্তব্ধ নয়, মৌলিক প্রয়োজন মেটাতেও আমাদের লড়াই করতে হচ্ছে।’

