বিএনপি কর্মীর ইট ভাটা এখনও আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের দখলে! – দৈনিক আজকের জামালপুর

বিএনপি কর্মীর ইট ভাটা এখনও আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের দখলে! – দৈনিক আজকের জামালপুর




বিএনপি কর্মীর ইট ভাটা এখনও আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের দখলে! – দৈনিক আজকের জামালপুর



শামীম আলম : জামালপুর শহরের নারিকেলী রাস্তার পাশে সমতা ব্রিকস ফিল্ড মালিক ছিলেন মোঃ আঃ জলিল তার কাছ থেকে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালত এফিডেভিটের মাধ্যমে গত ১৬ জানুয়ারী ১৫ সালে মোঃ আঃ মান্নানের নিকট থেকে ৬০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়। তারপর বিএনপি কর্মী আঃ মান্নান ৭ বছর এম আর এস ব্রিকস ফিল্ড নামে পরিচালনা করেন। ৭ বছর পর জমির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জমির মালিক চান মিয়ার কাছ থেকে ৩০ সাল পর্যন্ত পুনরায় স্ট্যাপের মাধ্যমে বায়নাপত্র করে নেন। এর পর থেকে বিএনপি কর্মী মোঃ আঃ মান্নানের এম আর এস ব্রিকস ফিল্ডে চোখ পড়ে যায় জনৈক আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতার। এরপর অবৈধ ভাবে মান্নানের ব্রিকস ফিল্ড দখলে নেয়। তার অপরাধ সে বিএনপি করে। বিএনপি কর্মী আঃ মান্নান অভিযোগ করেন, মোঃ আঃ জলিল এর কাছ থেকে আমি ৬০ লক্ষ টাকা দিয়ে সমতা বিক্স ফিল্ডটি ক্রয় করে নেই এবং দীর্ঘ ৭ বছর পরিচালনা করে আসছি। আমার এই ইট ভাটায় চোখ পড়ে জনৈক আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতার। সেই প্রভাবশালী আওয়ামীগের নেতা আমাকে ডেকে নিয়ে বলে তোমাকে আর এম আর এস ব্রিকস ফিল্ড মালিক থাকা যাবেনা। আমি তাকে প্রশ্ন করি আমার অপরাধ কি? সে বলে তোমার পরিবার বিএনপি করে। পরে আমাকে কিছু টাকা পয়সা নিয়ে এই ইট ভাটা থেকে চলে যেতে বলে। মান্নান বলে বিএনপি করি বিদায় আমার ইট ভাটা এই ভাবে অবৈধভাবে দখল করে নিবেন। মান্নানের সাথে ইটের ব্যবসায়ী শেয়ার ছিলেন সিরাজুল ইসলাম তার কাছ থেকে আওয়ামীলীগের নেতা শিষার ভাগ্নে মোঃ মোকাতাদির আলম সোহাগের নামে জনৈক আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা হুকুম দেয় এবং ব্রিকস ফিল্ড দখল করে দেন। মান্নান মিয়া তার বিকস ফিল্ড অবৈধ দখল করলে মোঃ মোকাতাদির আলম সোহাগ ও রিপনের বিরুদ্ধে জামালপুর জজ কোর্ট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে জামালপুরের প্রভাবশালী নেতা হুমকীতে মামলা তুলে নিতে বাধ্য হই। সেই প্রভাব শালী আওয়ামীলীগের দখল করা এম আর এস ব্রিকস ফিল্ডের নাম পরিবর্তন করে আলিফ ব্রিকস ফিল্ড নামে নামকরন করা হয়। বর্তমানে আলিফ ব্রিকস ফিল্ড শেলডার দিচ্ছে থানা বিএপির এক প্রভাবশলী নেতা। ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালত এফিডেভিটের মাধ্যমে গত ১৬ জানুয়ারী ১৫ সালে মান্নানের নিকট ৬০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়া জিনিস গুলো ক্লিনিং ১টি, দৈর্ঘ্য ২২০ ফিট, প্রস্থ ৮০ফিট, চিংগি ১টি উচ্চতা ৯০ ফিট, হাওয়ার ঘর ১টি, হাওয়ার ইঞ্জিন ৩২ ঘোড়া ২টি, পাক মিল ৪টি, লেবার থাকার ঘর ১০ ফিট টিনের এক চালা দৈর্ঘ্য ৩০টি করে ৭টি,অফিস ঘর একচালা বিশিষ্ট ৩ রুম বারান্দাসহ, ১০টি আগাটপ, ১০টি গোড়াটপ, ইঞ্জিন মোট ৫টি, সুন্দর ও গরিয়ার ইট মোট দুই লক্ষ ৫০ হাজার।


Explore More Districts