বাজার এলাকার বাসিন্দা ও জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য খুশি কুমার তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, বাজারের ছোট ছোট দোকানে রাতে কেউ থাকেন না। এ কারণে আগুন লাগার পরও শুরুতে কেউ জানতে পারেননি। পরে আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে দোকানিরা ছুটে আসেন। ততক্ষণে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যচিংশৈ মারমা বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪৮টি দোকান ও বসতঘর পুড়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তাঁরা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাননি।
