আজ সোমবার সকালে সোহেল রানার বাড়িতে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যায়। মেঝেতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে ভাঙচুর করা আসবাব। কাপড়চোপড়ও পড়ে আছে খাট ও মেঝেতে। আলমারির ড্রয়ার ভাঙা অবস্থায় চোখে পড়ে। সোহেল রানার বাবা আবদুল গাফফারের (৫৫) চোখে–মুখে আতঙ্কের ছাপ। তিনি ঘটনার বিবরণ বলেন, ‘আমার ছেলে বাড়িতে আছে কি না, জানতে চেয়েই হামলা করে। চোখে দেখা ছাড়া কিছুই করার উপায় ছিল না।’ থানা-পুলিশের কাছে গেলে মামলা না নিয়ে চুপ থাকার পরামর্শ দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
তবে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, এ রকম কোনো ঘটনা পুলিশ জানে না। কেউ মামলা বা অভিযোগও করতে আসেনি। এলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পলাতক সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বাড়িতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনবার হামলা, ভাঙচুর চালিয়ে সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হলো।’ তিনি এ জন্য যুবদল ও ছাত্রদলকে দায়ী করেন। তবে কারোর নাম উল্লেখ করেননি।
সোহেল রানার ভাই সবুজ হোসেন বলেন, ‘আমরা দুই ভাই ৫ আগস্টের মিথ্যা মামলায় বাইরে ছিলাম, দীর্ঘদিন পরে আমি জামিন নিয়ে মাঝেমধ্যে বাসায় আসি, আবার বাইরে চলে যাই। এই বাহিনী এর আগেও দুইবার আমাদের বাড়িতে লুটপাট করেছে।’
