বিক্ষোভে অংশ নেওয়া লোকজন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্দেশে বলতে থাকেন, ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা যদি পাহাড়ের আশ্রয়শিবিরে বছরের পর বছর থাকতে পারে, আমরা বাংলাদেশি ভূমিহীনদের কী অপরাধ। পুনর্বাসন ছাড়া আমাদের উচ্ছেদ করা অন্যায় হবে।’
এ সময় কয়েকজন জমির দলিল দেখিয়ে বলতে থাকেন, নদীর জমি হলেও তাঁরা রেজিস্ট্রি করে কিনে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন। জমির বিপরীতে খতিয়ানও খুলেছেন, দিচ্ছেন নিয়মিত খাজনা। সরকারের নির্দেশে খতিয়ানভুক্ত এই জমি থেকে কাউকে উচ্ছেদ করতে হলে আলাপ–আলোচনা করতে হবে। ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
বেলা আড়াইটার দিকে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা নদীর নতুন সেতু এলাকা ও কস্তুরাঘাট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালাতে গেলে সেখানেও বাধার মুখে পড়ে। এ সময় বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। বিকেল চারটার দিকে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করে ফিরে যায় যৌথ বাহিনী। তবে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি।


