| ১৩ March ২০২৬ Friday ৭:০৮:৩০ PM | |
নগর প্রতিনিধি:

বরিশাল নগরীতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কেনাকাটা জমে উঠেছে। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা চকবাজার, গির্জামহল্লা, বিবির পুকুর পাড়ের বিপণিবিতানগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। নগরীতে গরিবের বাজার খ্যাত হাজী মো. মহসীন মার্কেট এবং সিটি মার্কেটেও ঈদবাজার করতে এসেছেন অনেকে।
ক্রেতারা জানিয়েছেন দাম বাড়লেও তাঁরা এবার কেনাকাটায় কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। বিক্রেতারা মনে করছেন, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে ঈদের আগে বেচাকেনা আরও চাঙা হবে।
ছেলের জন্য জুতা কিনতে এসেছেন গৃহিণী মেরিন জাহান। তিনি বলেন, ‘শিশুদের জুতার দাম বেশি। এক জোড়া জুতা কিনেছি ১ হাজার ২০০ টাকায়। যা অন্য সময়ে হয়তো এক হাজার টাকার নিচে কেনা যেত।’
মেয়ের জন্য জুতা কিনতে এসেছেন আ. রহমান। তিনি বলেন, ‘বরিশাল নগরে এখন অনেক মার্কেট হয়েছে। টাকা থাকলে স্বাচ্ছন্দ্যে কেনা যায়। কিন্তু দাম নিয়ন্ত্রণে নজর দেওয়া উচিত প্রশাসনকে।’

বাজার রোডের রাজলক্ষ্মী বিপণিবিতানে শাড়ি ও থ্রিপিস বেচাকেনা হচ্ছে বেশ। দোকানি আজমীর হোসেন বলেন, জর্জেটের থ্রিপিস ২ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সুতির থ্রিপিস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। আর শাড়ির মধ্যে কাতান, জামদানি, ঢাকাই বেনারসি, রাজশাহী সিল্ক, টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতা আজমীর বলেন, ‘এবার রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই তাই ক্রেতার ভিড় বেশি।’
গরিবের বাজার মো. মহসীন মার্কেট এবং সিটি মার্কেটেও শুক্রবার জুমার নামাজের পর ভিড় দেখা গেছে চোখে পড়ার মতো। সাধ্যের মধ্যে সবাই জামা, প্যান্ট কিনছেন। কথা হয় রিকশাওয়ালা আফজাল হোসেনর সঙ্গে। তিনি জানান, ছেলের জন্য জামা কিনতে এসেছেন। একটি শার্ট ৬০০ টাকা বলেছেন। বিক্রেতা ১ হাজার ২০০ টাকা চেয়ে দর-কষাকষি করছেন।
কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বরিশাল নগরের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ দত্ত বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে ঈদবাজার বেশ চাঙা। কিন্তু দাম অত্যধিক। যে কারণে এখনই জেলা প্রশাসনকে এখনই পোশাক বাজার মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। না হয় ক্রেতার পকেট কাটবে ব্যবসায়ীরা।’
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |


