২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্প ন্যু স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে এই অবিশ্বাস্য ছবিটি তোলা হয়েছিলো। তখন লিওনেল মেসির বয়স ছিলো মাত্র ২০ বছর এবং তিনি বার্সেলোনার একজন উদীয়মান তারকা।

ইউনিসেফ এবং কাতালুনিয়ার স্থানীয় সংবাদপত্র ‘দিয়ারিও স্পোর্ট’ যৌথভাবে একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডার তৈরির জন্য লটারির আয়োজন করেছিলো। কাতালুনিয়ার মাতারো অঞ্চলের এক অভাবী পরিবার সেই লটারিতে বিজয়ী হয় এবং তাদের ৫ মাস বয়সী শিশুকে মেসির সাথে ছবি তোলার সুযোগ দেওয়া হয়। কাকতালীয়ভাবে সেই শিশুটিই ছিলেন আজকের বিশ্ব কাঁপানো স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল!
ছবির আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট পরে জানান, মেসি অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের হওয়ায় শুরুতে একটি প্লাস্টিকের টাব ভর্তি পানিতে থাকা ছোট্ট শিশুকে কীভাবে কোলে নেবেন, তা বুঝতে পারছিলেন না। পরবর্তীতে ইয়ামালের মা শেইলা ইবানা মেসিকে সাহায্য করেন এবং এভাবেই তৈরি হয় ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময় ও পরাবাস্তব এই ছবি।
ইয়ামালের বাবা দীর্ঘ ১৭ বছর ছবিগুলো লুকিয়ে রেখেছিলেন, যাতে তার ছেলের ওপর মেসির সাথে তুলনার অতিরিক্ত মানসিক চাপ সৃষ্টি না হয়। ২০২৪ ইউরো কাপের সময় তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটি শেয়ার করার পর মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তরা এখন মজা করে বলেন, ‘মেসি নিজের অজান্তেই সেই গোসলের পানির মাধ্যমে তার জাদুকরী ফুটবলীয় শক্তি ছোট্ট ইয়ামালের শরীরে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছিলেন।’
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com


