সারজিস আলম আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সামনে তাদের তো মুখ দেখানোর মতো অবস্থা নাই। ছাত্রদল যেটা করেছে, কতটা অথর্ব হলে এত মানসম্মান চলে যাওয়ার পরে আবার এমন একটা কাজ করে, যেটা দিয়ে মানুষের কাছে হাসির খোরাক হয়। এটা হচ্ছে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থা।’ তিনি বলেন, ‘আমি তো শুধু এইটুকুই চিন্তা করি, যেখানে মামলাটা নেওয়া হলো, যে মামলাটা লিখেছে, সে-ও হয়তো মনে মনে ওদের গালি দিচ্ছিল, যারা তাকে মামলাটা লিখতে বাধ্য করেছে।’
পরে বিকেলে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা পূর্বঘোষিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গাড়িযোগে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার থানারবাজার এলাকার উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে কর্মসূচি শেষে গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলায় পৃথক দুটি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা আছে তাঁদের।

