| ২ March ২০২৬ Monday ৬:০১:৩৭ PM | |
পাথরঘাটা ((বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় চাঞ্চল্যকর সুজন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ৬ ও ৮ এর সদস্যরা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২ মার্চ) ভোর রাতে পৃথক অভিযানে বরগুনার বামনা উপজেলার সোনাখালী বাজার বাসস্ট্যান্ড ও খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের মধ্য লেমুয়া গ্রামের মো. জালাল (৫৫), মিঠু হাওলাদারের ছেলে মো. কালু (২০) ও খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে লেমুয়া গ্রামের আ. হাকিম হাওলাদারের ছেলে মো. সবুজ হাওলাদার (৩০) ও জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে মো. মিরাজ হাওলাদার (৪০)।
র্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী র্যাব ৮ ও খুলনা র্যাব ৬ এর প্রথক অভিযানে পৃথক জায়গা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারের পর মো. সবুজ হাওলাদার ও মো. মিরাজ হাওলাদারকে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানা এবং মো. জালাল ও মো. কালুকে বরগুনার পাথরঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর অপরাধীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিল। তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। শেষমেশ তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
জানা যায়, ১২ ফেব্রয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে লেমুয়া এলাকার মো. সুজন একই এলাকায় মন্টু মিয়ার ছোট ছেলে মো. কালু মিয়াকে (১৮) পথে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে মারধর করে। পরে ভাইকে মারধর করার কারণে বড় ভাই রিয়াজ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সুজন রিয়াজকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে এবং একটি হাত কেটে ফেলে। এ সময় চিৎকার শুনে এলাকাবাসী সুজনের হাত থেকে রিয়াজকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিয়ে যাওয়া হয়।পরে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী সুজনের বাড়িতে হামলা করে। ১৩ ফেরুয়ারি (শুক্রবার) মো. সুজনকে এলাকাবাসী বেধড়ক মারধর করে এবং চোখ তুলে নেয়। পরে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পথে মৃত্যু হয় সুজনের।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |
