পটুয়াখালীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বাবা-চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে

পটুয়াখালীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বাবা-চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে

১ July ২০২৬ Wednesday ৫:২২:১১ PM

Print this E-mail this


পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বাবা-চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে

পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের বাজারগোনা এলাকায় রিপন কাজী (৩৫) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। জমি ও পারিবারিক বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন নিহত ব্যক্তির স্বজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বাবা মিজানুর কাজীসহ পাঁচজন জড়িত।

গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত প্রায় ১১টার দিকে সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারের উত্তর পাশে বাজারগোনা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নে।

নিহত ব্যক্তির বোন রাহিমা বেগমের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁর বাবা ও চাচাতো ভাইয়েরা রিপন কাজীর ওপর হামলা চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় রিপনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি জানান রাহিমা।

নিহত ব্যক্তির ভাই রাব্বি কাজী বলেন, পারিবারিক জমি বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর বাবার সম্পৃক্ততাও রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব কাজী জানান, মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি পথরোধ করেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি পাশের একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে পালাতে সক্ষম হলেও রিপন কাজী হামলার শিকার হন।

স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডে রিফাত কাজী, রাসেল কাজী, মনির কাজী, সোহাগ কাজী ও মিজানুর কাজী সরাসরি জড়িত ছিলেন।

পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রিপন কাজীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মরদেহ পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলায়। ঘটনাটি সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারসংলগ্ন বাজারগোনা এলাকায় ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts