মহিউদ্দিন সরকার : গাজীপুর-৬ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের হাতছানিতে সরব হয়ে উঠেছে তৃণমূল নেতাকর্মীরা। ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এখন সবচেয়ে আলোচনায় টপ অবদা গাজীপুরে রয়েছেন বিএনপির সদ্য কারামুক্ত যুব নেতা, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি এবং ক্রীড়াবিদ সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন।
দলের কঠিন সময়েও অবিচল থাকা, দুঃসময়ে দলের সঙ্গে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়ার কারণে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন তিনি। স¤প্রতি তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিএনপির পথপ্রদর্শক ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ইতিমধ্যে নেতা সম্ভাব্য প্রার্থীদেরকে মাঠে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ। বিগত দিনে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ এবং সাম্প্রতিক ২০২৪ সালে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে চরম ভূমিকা ছিল। তাঁদের আমলে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিভিন্ন দাবি আদায়, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানে, জনসাধারণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দাবি ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ অবৈধ সরকার পতনের আন্দোলনে তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এই নিঃস্বার্থ গুণগুলি তৃণমুল নেতাকর্মীদের আস্তা-ভাজন হয়েছেন তিনি। সৎ চরিত্র ও মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সহিত যোগাযোগ, সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং দলের প্রচার-প্রচারনায় তিনি এলাকায় অতুলনীয়। দলীয় ইমেজ সম্মুন্নত রাখায় জনগন ও আস্তাভাজন রয়েছে।
ছাত্রজীবন থেকেই সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী। তিনি রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকান্ডে সক্রিয় অবস্থানে আছেন। তিনি স্থাপন করেছেন- আমজাদ আলী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ, টঙ্গী বাজার মসজিদ সহ আরও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সমূহ। এলাকা উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মান সহ বিভিন্ন জনসেবা মূলক কার্যক্রমের জন্য তিনি জনগণের ও তরুনদের আস্তাভাজন হয়ে উঠেছেন। উল্লেখ্য তিনি গত ১৯৮৮ সালে ঐতিহাসিক বন্যায় গরীব, দুঃখীদের সাহাড্যে তিনি সদা নিয়োজিত ছিলেন, নিজের হাতে তৈরি রুটি বাড়ি বাড়ি পৌঁছাইয়ে ছিলেন। বানভাসিদের প্রতি খাদ্য, বস্ত্র দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে ছিলেন। তেমনি ২০২০ সালের করোনা আক্রান্ত রোগীদের তিনি খোঁজ খবর নিয়েছেন অতুলনীয়। চিকিৎসার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে খাবার-দাবারেরও ব্যবস্থা করেন তিনি।
তার সবচেয়ে বেশী গৌরবময় বিষয় হলো- তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তাঁর বাবা মা উভয়ই মুক্তিযোদ্ধা। উভয়ই সু-পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ কে এলাকাবাসী এক ডাকে চিনে।
বর্তমানে তিনি ও তার কর্মীরা সংসদীয় গাজীপুর-৬ আসনে বিরামহীন গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেজা জিয়া ও শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি সম্বিলিথ ব্যানার ফ্যাস্টুনে ভরে দিয়েছেন পাড়া, মহল্লা। এলাকা গাছা, পুবাইল সহ টঙ্গী, হাট বাজার, গ্রামাঞ্চলে তিনি নিয়মিত উঠান বৈঠক ও কর্মী সভা চালিয়েছেন রীতিমত।
এ সব স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্র ও শ্রমিক দলের নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে ক্রমেই বাড়ছে। যা তৃণমুল রাজনীতিতে নতুন প্রান সঞ্চার করেছে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সহিত সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি তেজগাঁও কলেজ হতে কৃতিত্বের সহিত বি.এ পাস করেন। ২০২৩ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে এবং এতে ষড়যন্ত্র মূলক বিভিন্ন মামলায় কারাবরন করেন। তার রাজনৈতিক জীবন ও সাংগঠনিক দক্ষতা ইতোমধ্যেই এলাকাবাসী সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজর কেড়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি ও তার নেতাকর্মীরা বিএনপি’র ৩১ দফা প্রসার প্রচারে ও গণসংযোগে আত্মনিয়োগ করেছেন।


