শিল্পী অশোক কর্মকার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যাঁরা প্রথম দিকে জীবন উৎসর্গ করেছেন, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক তাঁদের অন্যতম। তাঁদের স্মরণ রাখতে ছবি আঁকার মাধ্যমে দেশকে ভালোবাসা ও সুন্দরের কথা বলার আহ্বান জানান তিনি।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিটি শিশু-কিশোরের অভিভাবককে অভিনন্দন জানান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের বড় ভাইয়ের মেয়ে নাজনীন হক।
নাজনীন হক বলেন, একটি শিশুকে গড়ে তুলতে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা যথেষ্ট নয়। ছবি আঁকা, গান গাওয়া, নাচ বা অন্যান্য সৃজনশীল চর্চার প্রতিও অভিভাবকদের মনোযোগ দিতে হবে। কারণ, একাডেমিক শিক্ষা সবাই নিতে পারে; কিন্তু ছবি আঁকতে সবাই পারে না।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন কর্মসূচি ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের পরিবারের আরেক সদস্য অধ্যাপক মাইনুল হক।

