| ২০ October ২০২৬ Tuesday ১২:৩৪:৫৮ PM | |
নাজিরপুর ((পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলার সীমান্তবর্তী শ্রীরামকাঠী-ভরতকাঠী ফেরিঘাট এলাকায় কালিগঙ্গা নদীতে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের কারণে একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।এতে এক শিশু নিহত ও তার মা নিখোঁজ রয়েছেন।
নিহত শিশু অর্পিতা বেপারী (৮) এবং তার নিখোঁজ মা রিনা বেপারী (৩৫) নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের সংকর বেপারীর পরিবার। সংকর বেপারী পরিবার নিয়ে দুর্গাপূজার ছুটিতে গ্রামে এসে শ্রীরামকাঠী এলাকা থেকে পূজা দেখে ট্রলারযোগে বাড়ি ফিরছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নাজিরপুর প্রান্ত থেকে ৫০ জনেরও বেশি যাত্রী এবং ৬টি মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রলারটি ভরতকাঠী ফেরিঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বোঝা ওঠানোর কারণে ট্রলারটি ভারসাম্য হারিয়ে ঘাট ছাড়ার পরপরই নদীগর্ভে ডুবে যায়। এসময় অধিকাংশ যাত্রী সাঁতরে ও স্থানীয়দের সহায়তায় কূলে উঠতে পারলেও রিনা বেপারী ও তার সন্তান নিখোঁজ হন।
সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে পিরোজপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুই দফা অভিযান চালিয়ে নদী থেকে শিশু অর্পিতা বেপারীর মরদেহ উদ্ধার করে।
দুর্ঘটনাকবলিত এলাকা এবং উদ্ধার অভিযান তদারকি করতে নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া শাহনাজ তমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এছাড়া পিরোজপুর জেলা ফায়ার ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক রায়হানুর আশরাফ এবং নাজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক সোয়াইব হোসেন মুন্সির নেতৃত্বে উদ্ধার কাজ পরিচালিত হয়।
ঘটনার বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া শাহনাজ তমা ও ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক রায়হানুর আশরাফ জানান, রাতের উদ্ধার কাজ চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আপাতত উদ্ধার অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে। সকাল থেকে নিখোঁজ মা রিনা বেপারীকে উদ্ধারে পুনরায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |

