যুক্তরাষ্ট্র বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে সামরিকভাবে সমর্থন দিলে ১৯০৩ সালে কলাম্বিয়া থেকে আলাদা হয়ে যায় পানামা। স্বাধীনতার পর ওয়াশিংটন মধ্য আমেরিকার এ দেশটির ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব বজায় রাখে।
১৯৮৯ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ প্রায় ২৭ হাজার সেনা নিয়ে পানামায় আগ্রাসন চালানোর নির্দেশ দেন। এর লক্ষ্য ছিল স্বৈরশাসক নরিয়েগাকে আটক করা। সিআইএর এই সাবেক মিত্রের বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে মাদক পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
এই আগ্রাসনে পানামার প্রায় ৩০০ সেনার পাশাপাশি আনুমানিক ২০০ থেকে ৫০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এই হামলার কয়েক ঘণ্টা পর নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষিত গিয়েরমো এন্দারাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় বসায় যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ভেনেজুয়েলায়ও একই পরিণতি ঘটবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ট্রাম্প বলেছেন, ‘যথাযথ ক্ষমতা হস্তান্তর’ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ‘পরিচালনা’ করবে।
ইতিহাসবিদ ম্যাকফারসন বলেন, এই অঞ্চলে মার্কিন হস্তক্ষেপের পর ‘শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এমন ঘটনা ‘খুবই বিরল’। তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন হস্তক্ষেপগুলো প্রায় সব ক্ষেত্রেই ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা তৈরি করে।’
