গোয়ালন্দ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ছরোয়ার মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়া স্বাক্ষরিত অব্যাহতিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সুমন মোল্লা দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে বিয়ার ব্যবসার কথা নিজ মুখে স্বীকার করেছেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে সাধারণ জনগণ ও দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং দলের সম্মানহানি ঘটে। এ পরিস্থিতিতে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সম্মানহানির দায়ে তাঁকে সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সুমন মোল্লা বলেন, ‘এক আইনজীবীর সঙ্গে কথার পরিপ্রেক্ষিতে বিয়ার ব্যবসার কথা বলেছিলাম। যৌনপল্লিতে বিয়ার কেন, কোনো ধরনের মাদকের সঙ্গে জড়িত নই।’ উপজেলার কমিটির ওই অব্যাহতির আদেশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি উপজেলা পর্যায়ের নেতা। উপজেলার নেতা হয়ে আরেক উপজেলার নেতাকে কি বহিষ্কার করতে পারে? সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি এই বিষয়ে আর কোনো কথা বলব না। এমনকি আমি আর রাজনীতিই করব না।’
