তব এই মৌসুমে কেইনের পারফরম্যান্স শুধু একজন অভিজাত ফিনিশারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একই সঙ্গে একজন ডিপ-লাইং প্লেমেকারের ভূমিকাও পালন করছেন, যিনি দলের দ্রুতগতির উইঙ্গারদের জন্য জায়গা তৈরি করে দেন। কেইনের প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের (বিশেষ করে সেন্টারব্যাকদের) নিজ অবস্থান থেকে টেনে বের করে আনাতেও ভূমিকা রাখেন। এতে করে ডিফেন্সের পেছনে দৌড় দেওয়ার জন্য ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়।
ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক পোর্টাল ‘অপ্টা’র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কেইন যখন মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের মধ্যবর্তী জায়গায় বেশি সক্রিয় থাকেন, তখন তাঁর সতীর্থদের গোল করার সম্ভাবনা প্রায় ৩৫-৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। অর্থাৎ, তিনি যদি হাফ স্পেসে ১৫টির বেশি বলে স্পর্শ পান, তাহলে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে।
কেইনের জবাব হিসেবে দেম্বেলেকে পিএসজির যোগ্যতম বলা যায়। তিনি এমন খেলোয়াড়, যিনি ম্যাচের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। দেম্বেলে বক্সের ভেতরে খুব বেশি বল স্পর্শ করেন না, কিন্তু প্রতিটি স্পর্শই বড় ধরনের হুমকি তৈরি করে। কেইনের বিপরীতে দেম্বেলের খেলা বেশি নির্ভর করে ব্যক্তিগত দক্ষতা ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের ওপর।
