দুমকিতে গভীর রাতে মোবাইলের দোকানে দু/র্ধ’র্ষ চু/রি, ১৭ লাখ টাকার মালামাল লুট।

দুমকিতে গভীর রাতে মোবাইলের দোকানে দু/র্ধ’র্ষ চু/রি, ১৭ লাখ টাকার মালামাল লুট।

১৬ July ২০২৬ Thursday ৭:৫০:৩২ PM

Print this E-mail this


দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

দুমকিতে গভীর রাতে মোবাইলের দোকানে দু/র্ধ’র্ষ চু/রি, ১৭ লাখ টাকার মালামাল লুট।

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ৫ নম্বর শ্রীরামপুর ইউনিয়নের পীরতলা বাজারে গভীর রাতে একটি মোবাইল ফোনের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা দোকানের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ, হাতঘড়িসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। দোকান মালিকের দাবি, প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৬ থেকে ১৭ লাখ টাকা।

জানা গেছে, পীরতলা বাজারের দ্বিতীয় গলিতে অবস্থিত ‘ভুইয়া এন্টারপ্রাইজ’ নামের দোকানটিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে দোকানের কর্মচারী দোকান খুলতে এসে তালা ভাঙা দেখতে পান। পরে ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, দোকানের মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং অধিকাংশ মূল্যবান পণ্য উধাও। বিষয়টি জানাজানি হলে বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে তিনজন নাইট গার্ড দায়িত্ব পালন করলেও এমন বড় ধরনের চুরির ঘটনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার বিষয়টি সামনে এনেছে। তাদের দাবি, সংঘবদ্ধ চোরচক্র পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত, চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। পাশাপাশি আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন বলেন, আমরা সকালে খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে গিয়েছি। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত কোনো এজাহার পাওয়া যায়নি। এজাহার পাওয়ার পর মামলা রুজু করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, ঘটনার পর পীরতলা বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে বাজারজুড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা এবং নিয়মিত পুলিশি টহল বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts