গত শুক্রবার সকালে নাটোর শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরের নান্দ গ্রামে গিয়ে দেখা হয় ফারিহা মনির সঙ্গে। কর্দমাক্ত মেঠোপথ পেরিয়ে পৌঁছাতে হয় তাদের ভাঙাচোরা কাঁচা বাড়িতে। পাশের বাড়ি থেকে একটি প্লাস্টিকের চেয়ার এনে অতিথিকে বসতে দেন ফারিহার মা।
সাংবাদিক এসেছেন শুনে আশপাশের মানুষ জড়ো হন। সবার মুখে একটাই কথা, ফারিহার মতো মেয়ের জন্য একটি পাকা ঘর ও বাড়ি পর্যন্ত একটি পাকা রাস্তা হলে ভালো হতো।
মা আজেলা বেগম বলেন, ‘টেকার অভাবে বড় মেয়াডারে পড়াতে পারিনি। বিয়া দিয়া দিসি। ছোটটাক (ফারিহা মনি) লিয়াও একই রকম ভাবছিনু। কিন্তু মেয়াডা ফুটবল ছাড়া কিছুই বুঝে না। প্রধানমন্ত্রী ওর খেলা দেখি খুব খুশি হয়ছে। মাথায় হাত দিয়া দুয়া করছে। খেলার মন্ত্রীও নাকি ওকে ঢাকায় লিয়া যাওয়ার কথা বুলছে। তাই যেন হয়। আমি তো ওর জন্যে কিছুই করতে পারব না।’
