বক্তারা বলেন, মাজেদুল আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর। তিনি ভোটারদের আটকে রেখে কারচুপির মাধ্যমে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িতে ঘুমাতে দেননি। পুলিশকে দিয়ে হয়রানি করিয়েছেন। তাঁকে চেয়ারম্যান মানবেন না তাঁরা।
বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারীরা চেয়ারম্যানের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার অভিযোগ, অজ্ঞাতপরিচয় লোকজন তাঁর কাছ থেকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বুঝে দেওয়া সংক্রান্ত রেজল্যুশনের খাতা কেড়ে নেন। এমনকি তাঁরা সাত সদস্যের স্বাক্ষর করা পাতাটিও ছিঁড়ে ফেলেন। বিকেলে তিনি ঘটনার বিবরণ দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ইউএনওর কাছে আবেদন করেছেন।
ইউএনওর সই করা চিঠিতে বলা হয়, এম এফ মাজেদুলের গ্রেপ্তারের পর যোগীপাড়া ইউপির কার্যক্রম চালানোর জন্য প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে সদস্য তৌহিদুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেন মাজেদুল। পরে মাজেদুলকে দায়িত্ব বুঝে দেওয়ার রায় দেন আদালত।

