রাজধানীর পূর্ব প্রান্তের মাতুয়াইল থেকে ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে এসেছিলেন ভাড়ায় মোটরাইকেলচালক মো. নয়ন ইসলাম। দুপুর ১২টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। লাইনে দাঁড়িয়েই দুপুরে শিঙাড়া আর রুটি খেয়ে নেন।
নয়নও বলেন, ‘তেলের দাম বেড়েছে, তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু তেলের জন্য এভাবে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলে তো আর কাজ করা যাবে না।’
বনশ্রী এলাকা থেকে নিজের প্রাইভেট কারের জন্য তেল নিতে আসেন ব্যবসায়ী ইফতেখার মাহমুদ। বিকেলে তিনি বলেন, ‘দুপুরের পর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখনো পাইনি।’ একই অভিজ্ঞতার কথা জানান ধানমন্ডি থেকে আসা গাড়িচালক মো. মোখলেসুর রহমান। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়ি চালান তিনি।
ট্রাস্টের মতো অতটা ভিড় দেখা যায়নি রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকার ফিলিং স্টেশন নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টারে। আজ দুপুরে সেখানে অপেক্ষমাণ গাড়ির সংখ্যা ছিল আগের দিনগুলোর তুলনায় কম।
সেখানে জ্বালানি তেলের জন্য ৭৭টি প্রাইভেট কারকে অপেক্ষায় দেখা গেছে। এ ছাড়া ১১২টি মোটরসাইকেল, ১৩টি ছোট পিকআপ ভ্যান, তিনটি ছোট কাভার্ড ভ্যান ও একটি বাসকে লাইনে দেখা গেছে বেলা একটায়।

