সহ-উপাচার্য মো. সাজেদুল করিম জানান, শর্তগুলো হলো নির্বাচনকালে কোনো ধরনের সহিংসতা ঘটবে না, নির্বাচনের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি হবে না ও এই নির্বাচন কোনোভাবেই জাতীয় নির্বাচনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।
তবে জানতে চাইলে কোষাধ্যক্ষ মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনারগণের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। সেখানে শাকসু নির্বাচন আয়োজনে যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে কোনো বাধা তৈরি না হয়, প্রার্থীদের সে রকম একটি কমিটমেন্টসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে ছাত্রসংসদ নির্বাচন আয়োজন করলে নির্বাচন কমিশনের কোনো আপত্তি থাকবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্পেসিফিক তিন শর্তেই অনুমতি দেওয়া হয়েছে—বিষয়টি এমন নয়।’
এর আগে শাকসু নির্বাচনের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় মঙ্গলবার আবার আন্দোলনে নামেন প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হয়ে তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ কয়েক শ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

