বিশেষ করে আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পর অনেক তালেবান সদস্য টিটিপিতে যোগ দিচ্ছেন। ফলে ‘ভালো’ আর ‘খারাপ’—এই তত্ত্ব এখন কার্যত ভেঙে পড়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জায়েদ বলছেন, এটাকে পাকিস্তানের জন্য ‘শাস্তি’ বা ‘ফলভোগ’ বলা ঠিক হবে না। তাঁর বক্তব্য হলো, পাকিস্তানের অবস্থান সব সময়ই এক—দেশের ভেতরে সন্ত্রাসবাদ বন্ধ হতেই হবে।
লন্ডনের রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট (রুসি)-র গবেষক আন্তোনিও জিউস্টোজির মতে, পাকিস্তান ভেবেছিল আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়ে এবং অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে তালেবানকে নীতিগত পরিবর্তনে বাধ্য করা যাবে; এমনকি প্রয়োজনে শীর্ষ আফগান নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার নেতৃত্বও নড়বড়ে করা যাবে।
কিন্তু আফগানিস্তানে বোমাবর্ষণ উল্টো ফল দিয়েছে। কারণ হাইবাতুল্লাহ যদি পাল্টা জবাব না দিতেন, তবে তাঁর নিজের ভাবমূর্তি দুর্বল হয়ে যেত।
কাবুল পাল্টা জবাব দেওয়ায় আফগানিস্তানে জাতীয়তাবাদী আবেগ আরও জোরদার হয়েছে। এটি হাইবাতুল্লাহকেই বেশি শক্তিশালী করেছে।
জিউস্টোজি আরও বলেন, তালেবান এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিচ্ছে।


