তবে তারেক রহমান দুটি আসনেই নিজের আয় থেকে ৩০ লাখ টাকা করে সম্ভাব্য ব্যয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। দুই আসনে সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের ৬০ লাখ টাকা আসবে কৃষি খাত ও ব্যাংক আমানত থেকে।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় মোট ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে নগদ ও ব্যাংকে জমা টাকা, শেয়ার, সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু, আসবাব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ১ কোটি ৯৩ লাখ টাকার মতো।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর নির্বাচনে সম্ভাব্য ব্যয় ধরেছেন ৫১ লাখ ১৬ হাজার ২০০ টাকা। ব্যবসা, পরামর্শক, কৃষি আয়, সম্মানী ভাতা ও ব্যাংকের মুনাফা থেকে তিনি এই টাকা খরচ করবেন। আইন অনুযায়ী, তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৫১ লাখ ১৬ হাজার ২৯০ টাকা খরচ করতে পারবেন।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিভিন্ন খাত থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগমীরের বার্ষিক আয় প্রায় ১২ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা। তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮৩ টাকার সম্পদ রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

