তরুণ আরেক নির্মাতা মনিরুল হকের সিনেমা ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখারপুল’, জ্যাক মীরের সিনেমা ‘দ্য স্টোরি অব আ রক’ ছাড়া এই বিভাগে দর্শকদের জন্য চমক হিসেবে রয়েছে তানিম নূরের সিনেমা ‘উৎসব’। সিনেমাটি গত বছর ঈদে মুক্তির পর আলোচনায় আসে।
বাংলাদেশ প্যানারোমা ট্যালেন্ট
১১টি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা দিয়ে সাজানো বাংলাদেশ প্যানারোমা ট্যালেন্ট সেকশন। এখানে বাংলাদেশের তরুণ নির্মাতাদের সিনেমার মধ্যে রয়েছে আবির ফেরদৌসের ‘স্পাইট’, উম্মিদ আশরাফের ‘ধ্যাৎ’, আদেল ইমাম অনুপের ‘সোলমেট’, আহসাবুল ইয়ামিনের ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, গোলাম মুস্তাকিম ও হাসিব আহমেদের ‘যাত্রা বিরতি’, শুভাশিস সিনহার ‘হুনাসরি’, সাজিদ শামসের ‘বৈঠক’, প্রদীপ্ত সাহার ‘অন্তঃসার’, আহমেদ হাসানের ‘সং ফ্রম দ্য সাউথ’, তানহা তাবাসুমের ‘হোয়াট ইফ’। এ বিভাগের সর্বশেষ সিনেমা হিসেবে প্রদর্শিত হবে তৌহিদ তুষারের ‘বিফোর দ্য এন্ড’।
ওয়ার্ল্ড সিনেমা ও উইমেন সেকশন
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সিনেমা দিয়ে সাজানো হয়েছে ওয়ার্ল্ড সিনেমা শাখা। এই বিভাগে রয়েছে ৪৯টি সিনেমা। এর মধ্যে বাংলাদেশের ২টি সিনেমা জায়গা পেয়েছে। আবদুস সামাদ পরিচালিত সিনেমা ‘শ্রাবণ জোৎস্নায়’ ও শেখ আল মামুন পরিচালিত সিনেমা ‘ড্রেইনড ড্রিম’। এ ছাড়া নারী নির্মাতাদের ২৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা নিয়ে সাজানো হয়েছে উইমেন সেকশন। এখানে দেশের ৫ নারী নির্মাতার স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্বাচিত হয়েছে। আফরোজা হোসাইনের তিমির ‘গান’, প্রজ্ঞা পারমিতা দাসের ‘পটারি: দ্য ফরগটেন আর্ট’, চৈতালি সমাদ্দারের ‘মারিয়ম’, শায়লা রহমানের ‘ঝরা পাতার চিঠি’ ও স্বর্ণা মাহমুদের ‘দ্য রোড টু মাই ফাদার’।


