ডুয়েট ভিসির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ – Daily Gazipur Online

ডুয়েট ভিসির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ – Daily Gazipur Online

স্টাফ রিপোর্টার: গত ০৪ মার্চ ও ০৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ডুয়েট ভিসির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ৪মার্চ বিকেলে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর এর পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার মো. রায়হান হোসেন কর্তৃক পরিচালকের কার্যালয় এর ই-মেইলে প্রেরিত প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে, প্রকাশিত সংবাদটি সত্য নয়, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। উল্লেখিত ‘অসত্য প্রতিবেদন’টির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
এ বিষয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিম্নরূপ:
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কর্তৃপক্ষ উল্লিখিত এমন ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যথাযথভাবে সত্যতা যাচাই না করে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এমন সংবাদ পরিবেশন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। অত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এক্ষেত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, যাচাই-বাছাইকরণ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রতিটি ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন শতভাগ অনুসরণ করা হয়েছে।
উল্লিখিত সংবাদমাধ্যমগুলোতে যন্ত্রকৌশল বিভাগের ০৩ জন প্রভাষক নিয়োগের বিষয়ে যে অনিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এক্ষেত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রার্থিত পদের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত কোয়ালিফিকেশন টেস্ট-এর ভিত্তিতে আবেদনকৃত প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে লিখিত পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষাসহ সকল ধাপ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করে অ্যাকাডেমিক রেজাল্টে স্ব স্ব সেশনে অনার্সসহ প্রথম স্থান অধিকারকারী সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কতিপয় গণমাধ্যমে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক নিয়োগের বিষয়ে যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবান্তর। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়োগের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। এছাড়া সেকশন অফিসার পদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার যে অভিযোগ উঠেছে তাও সম্পূর্ণ মিথ্যা।
সংশ্লিষ্ট প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমগুলোতে স্বজনপ্রীতি ও প্রভাব খাটানোর বিষয়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য দায়িত্বপালনকালে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের কোনো আত্মীয়-স্বজন বা তথাকথিত ‘ঘনিষ্ঠজন’ নিয়োগ পায়নি। সুতরাং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি বা প্রভাব খাটানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

Print Friendly, PDF & Email

Explore More Districts