পঙ্গু হয়ে আয়রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে হান্নান সরদারের। পরিবার নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় আছেন। তিনি বলেন, ‘আমার সংসারে বৃদ্ধ মা, স্ত্রী আর দুই সন্তান। এখন আমি কীভাবে চলব, কীভাবে সংসার চালাব—সব অন্ধকার। ডাকাইতের গুলিতে এক পা হারালাম, তবু তো বাঁইচে আছি—এটাই এখন সান্ত্বনা।’
হান্নানের মা সালেহা বেগম বলেন, ‘ছেলেটার কষ্ট আমি চোখে দেখতি পারিনে। যারা এই কাজ করিছে, তাদের শাস্তি চাই।’
হান্নানের সঙ্গে অপহৃত হয়েছিলেন কাসেম সরদার। তিনি বলেন, ‘ডাকাইতের নির্মমতা ভাষায় বোঝানো যাবে না। হান্নানের চিৎকার আজও কানে বাজে।’

