যুক্তরাষ্ট্র যেসব দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে, সেসব দেশের ওপর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ আরোপ করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বের ৫৭টি দেশের ওপর বিভিন্ন হারে বাড়তি পাল্টা শুল্ক বসানো হয়। তখন বাংলাদেশের পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্ক ছিল ৩৭ শতাংশ। তারপর ৯ এপ্রিল পাল্টা শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন প্রেসিডেন্ট। যদিও সব দেশের ওপর ন্যূনতম ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কার্যকর করা হয়।
পরে ৭ জুলাই বাংলাদেশিসহ ১৪ দেশের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করে মার্কিন প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের ৯০ দিনের শুল্কবিরতির সময়সীমা শেষ হতে চলায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। এর আগে ৯ জুলাই থেকে শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও সেটি পিছিয়ে ১ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়। নতুন ঘোষণায় বলা হয়, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক হবে অতিরিক্ত ৩৫ শতাংশ।
এদিকে পাল্টা শুল্ক কমাতে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) দপ্তরের সঙ্গে দর-কষাকষি কর। শুরু থেকে এ কাজে এমন ব্যক্তিদের পাঠানো হয়েছে, যাঁরা আলোচনাকে একটা পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেননি। জুলাইয়ে দ্বিতীয় দফা আনুষ্ঠানিক বৈঠকের আগে নেতৃত্বে আসেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। ব্যবসায়ী নেতারা প্রথম থেকে দর-কষাকষির প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের যুক্ত করার অনুরোধ করেন। একেবারে শেষ সময়ে এসে সরকার ব্যবসায়ীদের পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে।

