| ৯ January ২০২৬ Friday ১০:০৬:৪৪ PM | |
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনের জামায়াতের প্রার্থী এস এম নিয়ামুল করিম ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সিরাজীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন দুই প্রার্থীকে পৃথক দুটি নোটিশ দেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব সম্ভাব্য প্রার্থীকে নিজ নিজ পোস্টার, ব্যানার, দেওয়াল লিখন, বিলবোর্ড, গেট, তোরণ, প্যান্ডেল, আলোকসজ্জাসহ সকল প্রকার নির্বাচনি প্রচার সামগ্রী ও ক্যাম্প নিজ খরচে ও নিজ দায়িত্বে অপসারণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অথচ পরিদর্শন ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যায় যে, আপনারা উক্ত নির্বাচনের প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও ঝালকাঠি ও নলছিটি শহরসহ ঝালকাঠি-২ নির্বাচনি এলাকার অধিকাংশ স্থানে আপনার নাম ও সম্ভাব্য প্রতীকের পোস্টার এখনও দৃশ্যমান রয়েছে। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৭এর উপবিধি (ক) এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এস এম নেয়ামুল করিম ও মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সিরাজীর কাছ থেকে লিখিত উত্তর চেয়ে নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আপনাদের (এস এম নেয়ামুল করিম ও মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সিরাজীর) বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে কেন প্রতিবেদন পাঠানো হবে না কিংবা অপরাধ আমলে নিয়ে কেন বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী ১১ জানুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে জেলা জজ আদালতের তৃতীয় তলায় রাজাপুর সিভিল জজ আদালতের বিচারক মো. আরিফ হোসেনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়া হলো।’
কারণ দর্শানোর নোটিশ অতি সত্বর জারি করে জারির প্রতিবেদন অত্র কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেয়া হলো।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনের জামায়াতের প্রার্থী এস এম নিয়ামুল করিমের মুঠোফোনে সাথে বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তিনি তো রিসিভ করেননি। এজন্য তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সিরাজী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার কর্মীরা ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের সব পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন অপসারণ করেছে। তারপরেও দুই একটা পোস্টার অগোচরে থেকে থাকতে পারে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি অল্প সময়ের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিয়ে দেব।’
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |

