তা ছাড়া ৭০ ধারার প্রয়োগ কমিয়ে আনার বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট থাকলেও যতটুকুতে ঐকমত্য আছে, ততটুকু বাস্তবায়ন করা গেলে সংসদ কার্যকর হওয়ার পথে আমরা পা বাড়াতে পারব।
এই ২৭টি প্রস্তাবে সবাই যেহেতু একমত হয়েছে, সেহেতু এই প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করা সহজ হবে বলে ভাবা যেতে পারে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি হলো, এগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা যাবে, সেটা নিয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য নেই।
এই প্রস্তাবগুলো গণভোটে তোলা হবে—এ বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও কীভাবে সেই গণভোট ডাকা হবে, সেটা নিয়ে শেষ পর্যন্ত ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি।
অতএব এই সনদে সব কটি দল সই করলেও সম্পূর্ণ ঐকমত্যে আসা প্রস্তাবগুলোরও বাস্তবায়ন হবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত দলগুলো কীভাবে গণভোট ডাকা হবে, সে বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারছে।
বড় সমস্যা অবশ্য যেসব বিষয়ে দলগুলোর পরিষ্কার দ্বিমত আছে বা অংশবিশেষ নিয়ে আপত্তি আছে (নোট অব ডিসেন্ট), সেসব নিয়ে। সম্পূর্ণ দ্বিমত আছে—এমন ৭টি প্রস্তাব আছে, যেখানে ৫টির বেশি দল সম্পূর্ণ দ্বিমত প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে একটি প্রস্তাব, যেখানে সাতই মার্চের ভাষণ সংবিধান থেকে ফেলে দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে, তার বিপক্ষে ৯টি দলের সম্পূর্ণ দ্বিমত আছে।
৩টি কর্ম কমিশন করার বিষয়ে ৭টি দলের আপত্তি আছে।

