শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বছর প্রথম ধাপে শিক্ষায় ২ শতাংশ ও স্বাস্থ্যে ১ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জন করা হবে। তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে পুরো আর্থিক খাত ধ্বংস করে ২৮ লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগবান্ধব নীতি তৈরি করা হচ্ছে।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে গণসংহতি আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী দেওয়ান আবদুর রশিদ বলেন, বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের তিনটি দায়িত্ব দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আনা হয়েছিল। তবে জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কারগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়ায় মানুষ আশাহত।
বিএনপির বিষয়ে তিনি বলেন, তারা পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি জানালেও তা এখনো গঠিত হয়নি। এ ছাড়া নারী ও শিক্ষাসংক্রান্ত সংস্কারের উদ্যোগগুলোও বিভিন্ন বিরোধিতার কারণে থমকে আছে।
সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলন ও ছাত্র ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মী এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

