সেলিম মাহমুদ
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে জামালপুর পৌরসভার হেভিওয়েট মেয়র প্রার্থী, রাজপথের লড়াকু সৈনিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, জামালপুর পৌর বিএনপির বিপ্লবী ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সফল ছাত্রনেতা শাহ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জামালপুর পৌরসভাকে একটি যুগোপযোগী, নির্ভরযোগ্য, গ্রহণযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য, জনবান্ধব ও মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিশ^স্থ তথ্য সূত্রে জানা যায়, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের এই উদীয়মান রাজনীতিবীদ ছাত্রজীবন থেকে আজ অবধি বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা, হামলা, জেল জুলুম, নির্যাতন সহ্য করেও রাজপথে থেকে দলের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রেখেছেন। গত ১৭ বছরে তিনি জামালপুর জেলার রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ মামলার আসামী হয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি জনকল্যানে ও সমাজ উন্নয়নে জনগণের পাশে থেকে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
জামালপুর পৌরবাসী ও পৌরসভা নিয়ে তাঁর উন্নয়ন ভাবনা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পৌরসভার সকল জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও তাদের অধিকারসমূহ নিশ্চিত করাই আমার নির্বাচনী ইশতিহারের অন্যতম অঙ্গীকার। শিশুদের সুস্থ্য বিনোদন ও মেধা বিকাশের দৃঢ় প্রত্যয়ে একটি আধুনিক শিশু পার্ক নির্মাণ এবং নিরাপদ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল, সবুজ শ্যামল শহর গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। পৌরসভার সকল নাগরিক খুঁজে পাবে আস্থার এক নতুন ঠিকানা, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়বিচার ও সুশাসন। একটি হাসিখুশি, সুখী-সমৃদ্ধ, মর্যাদাশীল ও স্বনির্ভর সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন।”
তিনি আরও বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস, দূর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জবরদখল দমনে আমি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করবো, ইনশাআল্লাহ। সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, যৌতুক, ঘুষ, চুরি, জুয়া, ছিনতাই এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে কঠোর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ছাত্র ও যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে লেখাপড়া ও খেলাধুলায় মনোনিবেশ করার পাশাপাশি তাদেরকে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা হবে। কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদে উদ্বুদ্ধকরণে বিশেষ প্রশিক্ষণ, ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রসারে বাজার সিন্ডিকেট দূরীকরণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
পৌর এলাকার প্রতিটি রাস্তাঘাট হবে উন্নত ও আধুনিক। রাস্তার দু’ধারে থাকবে সারি সারি শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষের সবুজের সমারোহ এবং লাইটিং ব্যবস্থা। পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য থাকবে সচল ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং মশক নিধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও স্বাস্থ্য সেবায় নেওয়া হবে বিশেষ পদক্ষেপ এবং গঠন করা হবে একটি উপদেষ্টা পরিষদ। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান হবে জবাবদিহিতামূলক ও হয়রানিমুক্ত সেইসাথে পৌরসভার নাগরিক সেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে জনগণকে সম্পৃক্তকরণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “জনগণ যদি তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে সেবা করার সুযোগ প্রদান করেন তবে তাদের সহযোগিতায় আমি জামালপুর পৌরসভাকে একটি মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস। গরিব, দুঃখী, দুস্থ, অসহায় ও সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং তাদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জামালপুর পৌরসভার দৃষ্টান্তমূলক উন্নয়নসাধন করাই আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”
পরিশেষে তিনি সুশীল ব্যক্তিদের সুচিন্তিত মতামত, সুপরামর্শ, সার্বিক সহযোগিতা এবং পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও রায় প্রত্যাশা করেন।
