শীর্ষ বৈঠকে অবশ্য মার্কিন নেতার স্তুতি গাওয়া থেকে তাকাইচি বিরত থাকেননি। তিনি প্রশংসা করে বলেছেন, ট্রাম্প হচ্ছেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি এনে দিতে পারেন। অন্যদিকে জাপানের সংলগ্ন অঞ্চলজুড়ে আরও বেশি আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ওঠা চীনের প্রসঙ্গটি ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দিয়ে তাকাইচি বলেছেন, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় নিরাপত্তার পরিবেশ ক্রমে আরও জটিল হয়ে উঠছে।
ইরান পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে হুমকির মুখে পড়া শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর শীর্ষ বৈঠকে বিস্তারিতভাবে আলোকপাত করা হলেও এর বাইরে অর্থনীতি ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাপান ও মার্কিন সরকার সংকটের মুখে পড়া ধাতুর সরবরাহ নিশ্চিত করে নিতে প্রস্তাবিত একটি বহুপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তির কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানের দূরবর্তী একটি দ্বীপের চারপাশের সমুদ্রে বিরল ধাতু আহরণ এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করার একটি সমঝোতা স্মারকও দুই দেশ স্বাক্ষর করেছে।
এর বাইরে দ্বিপক্ষীয় একটি শুল্কচুক্তির অধীন জাপানের প্রতিশ্রুত দ্বিতীয় দফার বিনিয়োগে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও অন্যান্য প্রকল্পের জন্য ৭৩ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগের ঘোষণাও তাঁরা দেন। জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কোম্পানির জড়িত থাকা ১৩টি প্রকল্পে সহায়তা প্রদানের ইচ্ছাও দুই দেশের সরকার ব্যক্ত করেছে। জাপানের নেতৃস্থানীয় কোম্পানি মিতসুবিশি মেটেরিয়াল, সুমিতোমো মেটাল মাইনিং কোম্পানিসহ আরও কয়েকটি জাপানি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এসব প্রকল্পে যুক্ত থাকবে।
তাকাইচি শুক্রবার আর্লিংটন জাতীয় সমাধি পরিদর্শন করবেন এবং তিন দিনের সফর শেষ করে শনিবার তাঁর দেশে ফেরার কথা।

