আনিসের মৃত্যুর বিষয়টি এখন পশ্চিমবঙ্গের বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল এসআইটি (স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম) গঠন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের (সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) তদন্ত দাবি করেছে আনিস খানের পরিবার।
ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ছাড়া সব প্রধান দল দাবি করেছে, গত নির্বাচনে তাদের হয়ে কাজ করেছেন আনিস খান। গতকাল সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আনিসের সঙ্গে তাঁর দলের যোগাযোগ ছিল। মমতার দাবি, গত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করেছিলেন আনিস।
পাশাপাশি ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফোরামের (আইএসএফ) এমএলএ নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, আনিসকে নেতা হিসেবে সামনে রেখে ছাত্রসংগঠন গঠনের চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। অন্যদিকে ভারতের প্রাচীন দল কংগ্রেসের ছাত্রসংগঠন ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি সৌরভ প্রসাদ দাবি করেছেন, ২০১৮ সালের আগস্ট মাস থেকেই আনিস খান তাঁদের দলের সদস্য।