কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর আমি দাঁড়িয়ে থাকা সেনাবাহিনীকে বলি, ‘আগে এখান থেকে সবাইকে সরানো দরকার, তারপর ফায়ার সার্ভিস গাড়ির সাইরেন ও লাইট অফ রেখে কর্ডন করে নিয়ে আসতে পারবেন।’
সেনাবাহিনীর অফিসার বলেন, ‘একটু অপেক্ষা করেন।’
কিছুক্ষণ পর জ্বলন্ত প্রথম আলো ভবনের সামনে থাকা উল্লাসরত হামলাকারীদের সরিয়ে সেনাবাহিনী ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়ে আসে। অবশেষে রাত ২টা ৩০ মিনিটে আমার অফিস ভবনের আগুন নেভানোর কার্যক্রম শুরু হয়। ফায়ার সার্ভিসের আগুন নেভানোর চেষ্টার ছবি তুলে অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলাম। রাত ৪টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে দেখলাম, আগুন নিভছে না। আমার তখন মনে হচ্ছিল সাংবাদিক হিসেবে কত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আমি কাভার করেছি, কত মানুষকে অসহায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি; অথচ আজ নিজের প্রতিষ্ঠান যখন পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে, তখন আমিও সেই অসহায় মানুষের মতো দাঁড়িয়ে থেকে শুধু দেখেছি।

