সেলিম মাহমুদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর সদর উপজেলার ৭ নং ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অত্র ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রশিদ মাস্টারের সহোদর ছোটভাই ইউনিয়ন বিএনপির সংগ্রামী সহ সভাপতি মোঃ এমরান হোসেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ঘোড়াধাপ ইউনিয়নকে একটি জনবান্ধব ও আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
খবর নিয়ে জানা যায়- তিনি ১৯৯১ সালে ময়মনসিংহের সুনামধন্য বিদ্যাপীঠ নাসিরাবাদ কলেজে অধ্যয়নকালীন শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে অত্র ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন সততা ও নিষ্ঠার সাথে। তিনি কটারবাড়ী দারুস সুন্নাহ সালাফিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার দাতা সদস্য এবং তিনি ও তার পরিবার ভারুয়াখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জমিদাতা। তার বড় ভাই মোঃ আঃ রশিদ মাস্টার আজীবন অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে এলাকার নারী শিক্ষা উন্নয়নে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন। তার বাবা আবুল ওয়াহাব সরকার অত্র ঘোড়াধাপ ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং জোকা ফোরকানিয়া হাফিজিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
এমরান হোসেন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে হরিপুর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউল করিম, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির উপদেষ্টা মোঃ আঃ হালিম, বিজয়নগর গ্রামের শহীদুল্লাহ, ইদলপুর গ্রামের সেকান্দর এবং ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ মাইনুল ইসলাম, আশেক মাহমুদ কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্রনেতা রুবাইয়াত, আহসানুল্লাহ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জিল্লুর রহমান, ছাত্রনেতা সাইফুল, সরকারি বাংলা কলেজের শিক্ষার্থী আরমান হোসেন, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন সহ বহু জনগণ একস্বরে বলেন, এমরান ভাই একজন সৎ লোক, তার আচার-আচরণ ও কর্মকান্ড ভালো। সমাজে তিনি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করেন, সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকেন। মানুষের বিপদে আপদে যথাসাধ্য উপকার করেন। তার মন মানসিকতা অত্যন্ত ভালো। তিনি একজন ন্যায় বিচারক, সর্বদা সত্য কথা বলেন। অন্যায়কে তিনি কখনো প্রশ্রয় দেন না, সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রাণপন চেষ্টা থাকেন। “আমরা এমরান হোসেনের মতো একজন সৎ লোককে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। তার মত ন্যায়পরায়ণ যোগ্য ও আদর্শবান নেতা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে একদিকে জনগণ খুঁজে পাবে ভরসার এক নতুন ঠিকানা অন্যদিকে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে চোখে পড়ার মত।”
ঘোড়াধাপ ইউনিয়নবাসী ও অত্র ইউনিয়ন নিয়ে এমরান হোসেনের উন্নয়ন ভাবনা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- এলাকার জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দেয় তবে গণমানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমি কাজ করে যাবো আজীবন। এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসালয়, রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, মসজিদ-মন্দির সহ সকল প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে চোখে পড়ার মতো। ইউনিয়ন পরিষদ সহ সকল প্রতিষ্ঠান হবে জবাবদিহিতামূলক। গ্রাম আদালত হবে অধিকতর শক্তিশালী নিরপেক্ষ ও সকল বরাদ্দ ন্যায্যতার ভিত্তিতে বণ্টন হবে, ইনশা-আল্লাহ। পরিশেষে তিনি এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
