| ৮ May ২০২৬ Friday ২:৪০:৪১ PM | |
গৌরনদী ((বরিশাল) প্রতিনিধি:

বরিশালের গৌরনদী থেকে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক শিশুকে বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে গিয়ে ৩৮ বছর বয়সী এক বিবাহিত যুবকের সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ১২ দিন আটকে রেখে ওই শিশুর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।
বুধবার রাতে পুলিশের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিখ হাসান রাসেল জানিয়েছেন।
শিশুর দিনমজুর বাবা বলেন, গত ২৬ এপ্রিল রাতে তার পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ১০ বছর বয়সী মেয়ে নিখোঁজ হয়।পরদিন গৌরনদী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার জানতে পারেন তার মেয়েকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় এলাকার খালকুলা গ্রামে আটকে রাখা হয়েছে।পরে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে সেখান থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একই গ্রামের কমল বাড়ৈর মেয়ে মেঘা বাড়ৈ শিশুটিকে ফুসলিয়ে তার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যায়।পরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে ৩৮ বছর বয়সী ভগরত ঢালী নামের এক বিবাহিত যুবকের সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ১২ দিন আটকে রেখে শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। বর্তমানে তার মেয়ে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।
নির্যাতিত শিশুটি জানায়, কান্নাকাটি করে বাড়ি ফিরে আসতে চাইলে অভিযুক্ত ভগরত ঢালী তাকে বলে, দুই লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে কিনে আনা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত মেঘা বাড়ৈ অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, ওই শিশুকে আমরা বিয়ে দেইনি। সে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |

