নোটিশে মসজিদ কমিটির সদস্য ও গ্রামবাসীর পক্ষে ৩৪ জন স্বাক্ষর করেন। পাশাপাশি গ্রামের মোড়ে এ বিষয়ে কিছু ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো হয়। নোটিশ জারির পর থেকে গ্রামে গানবাজনা বন্ধ আছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সম্প্রতি পুলিশ ওই গ্রামে গিয়ে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র হারাম বা নিষিদ্ধ লেখা ব্যানার, ফেস্টুন ও নোটিশ জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল (রাজন) প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনা জানার পর তাঁর দপ্তরে মসজিদ কমিটির সদস্যদের ডেকে পাঠান। মসজিদের ইমামের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এসে জানান, তাঁরা না বুঝে গ্রামে গানবাজনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা ভুল স্বীকার ও ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন। এ ছাড়া মসজিদ কমিটি সভা করে লিখিতভাবে গানবাজনা নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার পাশাপাশি ভুল স্বীকার করে ইউএনও অফিসে জমা দিয়ে যাওয়ার কথা হয়েছে।
মসজিদে গিয়ে ওই মসজিদের ইমাম আবদুল মালিক বিন খালেদুর রহমানকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। একবার তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি পরে কথা বলবেন, কিন্তু আর কথা বলেননি।

