
তেল আবিব, ২০ জানুয়ারি – যুদ্ধের পর গাজায় যে আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন করা হবে, সেখানে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো জায়গা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
গত বছর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। সেই চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। এর অংশ হিসেবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতাকরণ বাহিনী মোতায়েন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের সেনারা অংশ নেবে।
গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু বলেন, “গাজা উপত্যকায় আমরা ট্রাম্প পরিকল্পনার (যুদ্ধবিরতি) দ্বিতীয় ধাপে রয়েছি। দ্বিতীয় ধাপের খুব সহজ অর্থ হলো—হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে এবং গাজাকেও নিরস্ত্র করা হবে।”
আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতাকরণ বাহিনীতে কাতার ও তুরস্কের সেনাদের থাকতে দেওয়া হবে না জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, “গাজায় তুরস্ক বা কাতারের কোনো সেনার স্থান হবে না।”
গাজায় কোন কোন দেশ সেনা পাঠাবে, তা এখনো স্পষ্ট হয়নি। যেসব দেশের সেনারা আসবে, তাদের নিয়ে গঠিত এই আন্তর্জাতিক বাহিনীর দায়িত্ব হবে গাজার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামাসের পরিবর্তে কাজ করবে—এমন একটি নতুন পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্সকে এই গঠিত হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
এনএন/ ২০ জানুয়ারি ২০২৬



