গবাদিপশুর জেনেটিক উন্নয়নে গতি আনতে ব্র্যাকের দেশব্যাপী ‘এআইএসপি’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

গবাদিপশুর জেনেটিক উন্নয়নে গতি আনতে ব্র্যাকের দেশব্যাপী ‘এআইএসপি’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

গবাদিপশুর জেনেটিক উন্নয়নে গতি আনতে ব্র্যাকের দেশব্যাপী ‘এআইএসপি’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

বাংলাদেশে গবাদিপশুর জেনেটিক মানোন্নয়ন, দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খামারিদের আয় বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে ব্র্যাক দেশব্যাপী ‘এআইএসপি’ দের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধি” শীর্ষক একটি বিস্তৃত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বর্তমানে ব্র্যাক-এর প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন কৃত্রিম প্রজনন সেবা প্রদানকারী ‘এআইএসপি’ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঠ পর্যায়ে সেবা প্রদান করছেন, যা গ্রামীণ প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বৃহৎ সেবা নেটওয়ার্ককে আরও দক্ষ, আধুনিক ও ফলপ্রসূ করে তুলতে এই প্রশিক্ষণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

দেশের প্রায় ২৫টি কৌশলগত স্থানে পর্যায়ক্রমে আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে অওঝচদের আধুনিক কৃত্রিম প্রজনন কৌশল, প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত পশুপালন পদ্ধতি বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে মাঠ পর্যায়ে সেবার গুণগত মান বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি সফল প্রজননের হার উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার সিলেটে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. আবু জাফর মো: ফেরদৌল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, সিলেট এবং সভাপতিত্ব করেন কৃষিবিদ ডা. হারুন-অর-রশীদ, জেনারেল ম্যানেজার, ব্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডা. মিজানুর রহমান মিয়া, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাহিদ আরজুমান বানু ও এজিএম একেএম রবিউল ইসলাম, ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজ। কর্মসূচিতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হলে মাঠ পর্যায়ের সেবা প্রদানকারীদের দক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই। ব্র্যাক-এর এই উদ্যোগ সেই লক্ষ্য অর্জনে একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ।”

সভাপতির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ‘এআইএসপি’ দের দক্ষতা বৃদ্ধি মানেই সরাসরি খামারিদের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধি। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”

উল্লেখ্য, এই উদ্যোগের মাধ্যমে গবাদিপশুর উন্নত জাত বিস্তার, দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ডিএস/এফআর/এসএ

Explore More Districts