তবে ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন মহলের টানাহেঁচড়ায় কিছুটা বিরক্ত ও ক্লান্ত লাইলী বেগম। তিনি বলেন, ‘মানুষ আমাকে নিয়ে এই যে যা হচ্ছে, টানাহেঁচড়া, আমার একটু রেস্ট দরকার। কেউ যেন নিজের গুরুত্ব বাড়াতে আমাকে টানাহেঁচড়া না করে। মানে, কেউ ব্যবসার জন্য টানল, কিছু পাওয়ার জন্য, কারও নাম বাড়ানোর জন্য, আমাকে যেন না টানে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি কথা বলতে বলতে অসুস্থ হইয়া যাইতেছি। আমি তো একটা মানুষ, মেশিন না। সুইচ দিয়া ছাইড়া দিলেই সে চলতে থাকবে। কয়েক দিন ধইরা আমার ওপর দিয়া অনেক ধকল গেছে, আমি দুর্বল হইয়া গেছি।’
তবে গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি লাইলী বেগম। তিনি বলেন, ‘তোমরা আমার জন্য অনেক কিছু করতেছ, আমি তোমাদের জন্যই সবকিছু পাইতেছি, মিডিয়ার জন্য কিছু পাইতেছি। এ জন্য আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’
এ সময় লাইলী বেগমের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ছেলে আপন শেখ। তিনি বলেন, ‘আমার মা পৃথিবীর সেরা মা। সারা বিশ্বের মানুষ আজ তাঁকে চিনছে। এটি আমাদের পরিবারের জন্য গর্বের বিষয়।’ তিনি জানান, তাঁদের পরিবারে দুই ভাই ও দুই বোন রয়েছেন এবং লাইলী বেগম তাঁদের স্নেহ–মমতা ও ত্যাগের মাধ্যমে বড় করে তুলেছেন। পেশায় রংমিস্ত্রি আপন শেখ বলেন, তাঁর মায়ের এই অর্জন শুধু পরিবারের নয়, ফরিদপুরবাসীরও গর্ব।

