চট্টগ্রাম আদালত ভবন, মেডিকেল কলেজ ও পুলিশ লাইনের দূরত্ব বিবেচনায় জঙ্গল সলিমপুরকে কারাগারের জন্য উপযুক্ত মনে করা হয়েছিল। এখান থেকে আসামিদের আদালতে আনা-নেওয়াও সহজ হতো। কারা কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তুতিও নেয়। তবে গত বছরের মার্চে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন জানায়, জঙ্গল সলিমপুরের জমিগুলো দখলে আছে। উদ্ধার না হওয়ায় তা কারা কর্তৃপক্ষকে দেওয়া যাচ্ছে না।
গতকাল অভিযান শেষে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বিভাগীয় কমিশনার ও প্রশাসনকে অনুরোধ করব এই এলাকায় প্রশাসনের নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য।’
জানতে চাইলে বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, ‘আমাদের এখানে প্রশাসনের যে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হওয়ার দরকার ছিল, তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকার আগে এই এলাকা ঘিরে যে উন্নয়ন–পরিকল্পনা নিয়েছিল, এখন সেটি আমরা শুরু করব।’
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি জায়গা যাতে আর কোনো অবস্থাতেই বেহাত না হয়, এ বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর থাকতে হবে। পাশাপাশি এসব জায়গায় সরকারি গুরুত্বপূর্ণ যেসব স্থাপনার পরিকল্পনা রয়েছে, এগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে হবে।
