আবেদনে বলা হয়, আসামি তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পী অবৈধভাবে ইটভাটা স্থাপন, দলিল-দস্তাবেজ জালিয়াতি, প্রতারণা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্নভাবে ২ কোটি ৫১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৫১ টাকা মানি লন্ডারিং–সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি বর্তমানে পলাতক এবং গ্রেপ্তার এড়াতে যেকোনো সময় বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁর বিদেশ গমন রোধে পাসপোর্ট ব্লক এবং গ্রেপ্তারের জন্য ইমিগ্রেশন পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন।
