মানবাধিকার পর্যবেক্ষকেরা জানিয়েছেন, ইরান প্রায়ই কয়েক মিনিটের সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের দণ্ডাদেশ দিয়ে থাকে। এরফানকে গ্রেপ্তার করার মাত্র চার দিন পরই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যা ইরানি মানবাধিকারকর্মীদের মতে তাঁকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত করার শামিল।
নরওয়েভিত্তিক সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইরান কমপক্ষে ১ হাজার ৫০০ জনের ফাঁসি কার্যকর করেছে।
এরফান তাঁর পরিবারকে জানিয়েছিলেন, গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে একটি ফোন পেয়েছিলেন। এটি তিনি উপেক্ষা করেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর হুমকি সত্ত্বেও তিনি বিক্ষোভে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখেন।
‘বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছে না তেহরান’
এদিকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার খবরে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে—এমন আশ্বাস পেয়েছেন তিনি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরানের পক্ষ থেকে (বিক্ষোভকারীদের) মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কোনো পরিকল্পনা নেই।


