মাসুম বিল্লাহ মামলায় উল্লেখ করেছেন, গত জুনে তাঁর শ্যালক ওবায়দুর রহমানের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদীর বড় মেয়ে মরিয়মের বিয়ে হয়। সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকছুদার সঙ্গে থাকতেন মরিয়ম। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তাঁর পরিবারকে ফোনে জানিয়েছেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।
এজাহারে বলা হয়েছে, লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ের বিছানার ওপর তাঁর লেখা ‘সুইসাইড নোট’ দেখতে পান। রোববার বেলা তিনটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে মরিয়ম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে এজাহারে বলা হয়েছে।
